রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী নওগাঁর মান্দায় উপজেলা প্রকৌশলীর নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ সঠিক নয়।
স্থানীয়রা বলছে,একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে উন্নযন কাজ বাধাগ্রস্ত ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করতে সম্পুর্ন উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে এসব অপপ্রচার করছে। এমনকি তারা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মিথ্যা তথ্য দেয়ায় বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ব্যবহৃত খোয়ার প্রকৃত মান এবং নির্মাণকাজের অনিয়ম নিয়ে যে অভিযোগ উঙ্খাপন করা হয়েছে তা সত্যি নয়।একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও নির্মাণ কাজ বিলম্বিত করতে অসৎ উদ্দেশ্য অপপ্রচার শুরু করেছে।
স্থানীয়দের দাবি এসব গায়েবী অভিযোগের গুরুত্ব না দিয়ে দ্রুত সড়ক নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হোক। এই রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি পাবে,একইসঙ্গে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখবে,সহজ হবে জেলা-উপজেলা সদরের সঙ্গে কয়েকটি এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও আর্থসামাজিক চিত্র বদলে যাবে। জেলা ও উপজেলা সদরে সহজ হবে যাতায়াত ব্যবস্থা।
এদিকে এই রাস্তা নির্মাণ কাজ ঘিরে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃস্টি হয়েছে, বিরাজ করছে উৎসবের আবহ। এই রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে সুফল পাবেন এই রাস্তায় যাতায়াত করা কয়েকটি এলাকার মানুষ,পথচারী ও যানবাহন চালকগণ। সহজ হবে জেলা ও উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই রাস্তায় চলাচল করা স্থানীয়দের জন্য ছিলো নিত্য ভোগান্তি।বৃষ্টির দিনে রাস্তায় বিভিন্ন স্থানে পানি কাঁদা জমায় হেঁটে যাওয় ছিলো দুর্বিষহ। তবে রাস্তা নির্মাণ কাজ করায় অবশেষে সেই দুর্দিন কাটিয়ে সুদিন ফিরছে এলাকায় বইছে স্বস্তির হাওয়া।
অপরদিকে এই রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিবে এলাকাবাসীর জন্য। নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি হবে সেই আশায় কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মুখে এখন আনন্দের হাসি জানা গেছে, উপজেলার রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে থেকে গাইহানা উত্তরপাড়া ঈদগাহ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয় এলজিইডি কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে যথাযথ মান বজায় রাখেই নির্মাণ কাজ চলছে। রাস্তার নির্মাণ কাজে ইটভাটার পরিত্যক্ত রাবিশ, নিম্নমানের ও নির্ধারিত মাপের চেয়ে বড় ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয় বাস্তব বিবর্জিত ও মনগড়া।একটি গোষ্ঠী অসৎ উদ্দেশ্য এসব অপপ্রচার করছে।
উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দরপত্রের মাধ্যমে এক কোটি চার লাখ টাকায় কাজটি পেয়েছে শওকত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
সরেজমিন দেখা যায়,রাস্তার আইস ফিলিংয়ের পর সাববেস নির্মাণে ইটভাটার পরিত্যক্ত রাবিশ মিশ্রিত ইটের খোয়া ও নিম্নমানের নির্ধারিত মাপের চেয়ে বড় আকারের ইট ব্যবহারের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বাস্তব বিবর্জিত।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলা প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলীগণ সরেজমিন নিয়মিত রাস্তা নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। কাজেই প্রকৌশলীর নির্দেশনা উপেক্ষা করেই নিম্নমাণের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করার অভিযোগ সঠিক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুর,আসলাম ও আল আমিন বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়ম মেনেই সড়ক নির্মাণ করছে। কিন্ত্ত একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে রাস্তা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে গ্রামবাসিকে উসকে দেয়ার পায়তারা করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শওকত এন্টারপ্রাইজের পরিচালক জয় বলেন, সড়কের কাজটি আমরা বিক্রি করে দিয়েছি। এই মুহূর্তে বলতে পারছি না, কারা কাজটি বাস্তবায়ন করছে। নথিপত্র দেখে পরে বলতে পারব।তবে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ সঠিক নয়।
এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে রাস্তার নির্মাণকাজ পরিদর্শন করা হয়েছে এবং নিয়ম মেনে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছে,একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে উন্নযন কাজ বাধাগ্রস্ত ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করতে সম্পুর্ন উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে এসব অপপ্রচার করছে। এমনকি তারা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মিথ্যা তথ্য দেয়ায় বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ব্যবহৃত খোয়ার প্রকৃত মান এবং নির্মাণকাজের অনিয়ম নিয়ে যে অভিযোগ উঙ্খাপন করা হয়েছে তা সত্যি নয়।একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও নির্মাণ কাজ বিলম্বিত করতে অসৎ উদ্দেশ্য অপপ্রচার শুরু করেছে।
স্থানীয়দের দাবি এসব গায়েবী অভিযোগের গুরুত্ব না দিয়ে দ্রুত সড়ক নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হোক। এই রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি পাবে,একইসঙ্গে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখবে,সহজ হবে জেলা-উপজেলা সদরের সঙ্গে কয়েকটি এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও আর্থসামাজিক চিত্র বদলে যাবে। জেলা ও উপজেলা সদরে সহজ হবে যাতায়াত ব্যবস্থা।
এদিকে এই রাস্তা নির্মাণ কাজ ঘিরে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃস্টি হয়েছে, বিরাজ করছে উৎসবের আবহ। এই রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে সুফল পাবেন এই রাস্তায় যাতায়াত করা কয়েকটি এলাকার মানুষ,পথচারী ও যানবাহন চালকগণ। সহজ হবে জেলা ও উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই রাস্তায় চলাচল করা স্থানীয়দের জন্য ছিলো নিত্য ভোগান্তি।বৃষ্টির দিনে রাস্তায় বিভিন্ন স্থানে পানি কাঁদা জমায় হেঁটে যাওয় ছিলো দুর্বিষহ। তবে রাস্তা নির্মাণ কাজ করায় অবশেষে সেই দুর্দিন কাটিয়ে সুদিন ফিরছে এলাকায় বইছে স্বস্তির হাওয়া।
অপরদিকে এই রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিবে এলাকাবাসীর জন্য। নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি হবে সেই আশায় কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মুখে এখন আনন্দের হাসি জানা গেছে, উপজেলার রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে থেকে গাইহানা উত্তরপাড়া ঈদগাহ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয় এলজিইডি কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে যথাযথ মান বজায় রাখেই নির্মাণ কাজ চলছে। রাস্তার নির্মাণ কাজে ইটভাটার পরিত্যক্ত রাবিশ, নিম্নমানের ও নির্ধারিত মাপের চেয়ে বড় ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয় বাস্তব বিবর্জিত ও মনগড়া।একটি গোষ্ঠী অসৎ উদ্দেশ্য এসব অপপ্রচার করছে।
উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দরপত্রের মাধ্যমে এক কোটি চার লাখ টাকায় কাজটি পেয়েছে শওকত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
সরেজমিন দেখা যায়,রাস্তার আইস ফিলিংয়ের পর সাববেস নির্মাণে ইটভাটার পরিত্যক্ত রাবিশ মিশ্রিত ইটের খোয়া ও নিম্নমানের নির্ধারিত মাপের চেয়ে বড় আকারের ইট ব্যবহারের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বাস্তব বিবর্জিত।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলা প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলীগণ সরেজমিন নিয়মিত রাস্তা নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। কাজেই প্রকৌশলীর নির্দেশনা উপেক্ষা করেই নিম্নমাণের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করার অভিযোগ সঠিক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুর,আসলাম ও আল আমিন বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়ম মেনেই সড়ক নির্মাণ করছে। কিন্ত্ত একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে রাস্তা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে গ্রামবাসিকে উসকে দেয়ার পায়তারা করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শওকত এন্টারপ্রাইজের পরিচালক জয় বলেন, সড়কের কাজটি আমরা বিক্রি করে দিয়েছি। এই মুহূর্তে বলতে পারছি না, কারা কাজটি বাস্তবায়ন করছে। নথিপত্র দেখে পরে বলতে পারব।তবে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ সঠিক নয়।
এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে রাস্তার নির্মাণকাজ পরিদর্শন করা হয়েছে এবং নিয়ম মেনে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
আলিফ হোসেন